সাদিকুলের শালিক কথা বলতে শিখল কী করে

বাড়ির খোলা উঠানে দীর্ঘদিন ধরে দুটি পাখি লালন-পালন করে আসছেন সাদিকুল। গত পাঁচ বছর ধরে এই পাখিগুলোর স্থায়ী ঠিকানা হয়েছে তার বাড়িতে। প্রচলিত নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে পাখি দুটিকে কোনো ধরনের খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়নি। বরং বাড়ির চারপাশের উন্মুক্ত পরিবেশেই তারা অবাধে বিচরণ করে আসছে।

পরিবারের সদস্যরা পরম স্নেহে এই পাখিগুলোর নাম রেখেছেন ময়না। বাড়ির কেউ ময়না বলে ডাকলেই পাখি দুটি সব কাজ ফেলে দ্রুত ছুটে আসে। তাদের এই অভূতপূর্ব আচরণ এবং মানুষের মতো সাড়া দেওয়ার বিষয়টি ওই পরিবারের দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

পাখি ও মানুষের এই গভীর সখ্য দেখতে প্রতিদিন অনেকেই ভিড় করেন ওই বাড়িতে। পাখি দুটি কেবল মানুষের ডাকেই সাড়া দেয় না, বরং চমৎকারভাবে মানুষের মতো কথাও বলতে শিখেছে। তাদের এই অদ্ভুত কথাবলার ক্ষমতা আশপাশের লোকজনকে দারুণভাবে মুগ্ধ করছে।

বন্য প্রাণীকে খাঁচায় বন্দি না করেও যে ভালোবাসা ও যত্নের মাধ্যমে পোষ মানানো যায়, সাদিকুলের পরিবার তারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পাখি দুটির লালন-পালন ও মানুষের সঙ্গে তাদের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *