রাজনীতি ডেস্ক: দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে পূর্ণতা দিতে হলে একটি কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সংসদ নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা। তারা মনে করেন, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠامোগুলোকে শক্তিশালী করতে সংসদের সক্রিয় ভূমিকা সর্বাগ্রে প্রয়োজন।
বক্তব্যে আরও তুলে ধরা হয় যে, অতীতে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বহু মানুষের আত্মত্যাগের ইতিহাস রয়েছে। শহীদদের সেই রক্তের সঠিক মূল্যায়ন করতে হলে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে সুশাসন ও জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে সংসদীয় গণতন্ত্রকে জীবন্ত ও প্রাণবন্ত রাখতে সব রাজনৈতিক দলের সদিচ্ছা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে জাতীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করার ওপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা। তাদের মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া কোনো রাজনৈতিক ব্যবশাই দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হতে পারে না।
সবশেষে জানানো হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মী ও নীতিনির্ধারকদের প্রধান দায়িত্ব হলো দেশের সার্বিক কল্যাণ সাধনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সংসদ ও অর্থনীতির সঠিক সমন্বয় সাধনের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে।


