হারের ধাক্কার পর জরিমানাও গুনল বাংলাদেশ

খেলা ডেস্ক: জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের স্বাদ পাওয়ার পর আরও একটি বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ম্যাচ হেরে মাঠ ছাড়ার রেশ কাটতে না কাটতেই স্লো ওভার রেট বা নির্ধারিত সময়ে বোলিং কোটা শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে শাস্তি দিয়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক ওভার কম করার অপরাধে টাইগারদের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট বা আচরণবিধির ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই শাস্তি প্রদান করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে না পারার এই নিয়মভঙ্গের কারণে মাঠে খেলা একাদশে থাকা প্রতিটি খেলোয়াড়কে তাদের ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা হিসেবে দিতে হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এই ধরনের শাস্তি দলগুলোর জন্য একটি নিয়মিত বিষয় হলেও পরাজয়ের ঠিক পরপরই এই খবর দলের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

ম্যাচ শেষে আইসিসির ম্যাচ রেফারি এই শাস্তির ঘোষণা দিলেও কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। কারণ বাংলাদেশ দলের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় অনায়াসেই দলের পক্ষ থেকে আনীত এই অপরাধ ও শাস্তি মেনে নেন। ফলে আইসিসিও দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি করে এবং আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে জরিমানার এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করে।

উল্লেখ্য, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই ম্যাচে দলের নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস চোটের কারণে মাঠে নামতে পারেননি, আর অসুস্থতার জন্য দলের বাইরে ছিলেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব পড়েছিল তরুণ তাওহীদ হৃদয়ের কাঁধে। মাঠের বাজে পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আইসিসির এই আর্থিক জরিমানা বাংলাদেশ দলের জন্য বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি বড় অস্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ত্রিকোণীয় এই সিরিজের পরবর্তী লড়াইয়ে আগামী ২১ অক্টোবর আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ দল। প্রথম ম্যাচের হতাশা এবং জরিমানার ধাক্কা পেছনে ফেলে টাইগাররা নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট এই ভুলগুলো শুধরে পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *