তিন বন্ধুর সঙ্গে সংবর্ধনায় এসে বাবাকে মনে পড়ল নাবার, নিল নতুন প্রতিজ্ঞা

জীবনের অন্যতম একটি আনন্দঘন ও গৌরবের মুহূর্তে ফেলে আসা স্মৃতির কথা স্মরণ করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছেন কৃতি শিক্ষার্থী নাহিয়া নাবা। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত একটি জিপিএ-৫ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি তার সাফল্যের পেছনের সংগ্রামের দিনগুলোর কথা মনে করেন। জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে বাবাকে পাশে পাওয়ার অনুভূতি এবং তাঁর অনুপস্থিতি তাকে মানসিকভাবে নাড়া দিলেও তিনি দমে যাননি। বরং বাবার আদর্শকে সামনে রেখে তিনি ভবিষ্যতে আরও বড় কিছু অর্জনের দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেছেন।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নাবা জানান যে, এর আগে ২০১৯ সালে তিনি প্রথমবার তার বাবার হাত ধরেই আনন্দ উপভোগ করতে ফ্যান্টাসি কিংডমে এসেছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর জীবনের আরেকটি বড় সাফল্যে এসে সেই পুরোনো স্মৃতিগুলো তার মনে ভিড় করে। চোখের কোণে জল এলেও সেই স্মৃতিই তাকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অদম্য সাহস জুগিয়েছে বলে উল্লেখ করেন এই মেধাবী শিক্ষার্থী। বাবার হাত ধরে শুরু হওয়া পথচলা আজ তাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে এসেছে।

এবারের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নাবা একা আসেননি, তার সঙ্গে ছিলেন তার তিন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। জীবনের প্রতিটি ধাপে এই বন্ধুদের উৎসাহ ও সহযোগিতা তাকে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে সাহায্য করেছে বলে জানান তিনি। তিন বন্ধু মিলে আনন্দ ও গৌরবের এই মুহূর্তটি উদ্‌যাপন করেন এবং একে অপরের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। শিক্ষাজীবনের এই মাইলফলক স্পর্শ করার পেছনে বন্ধুদের নৈতিক সমর্থনও বড় ভূমিকা রেখেছে বলে তিনি মনে করেন।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল নাবার নেওয়া নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনমুখী প্রতিজ্ঞা। তিনি ঘোষণা করেন যে, বাবার অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়ন এবং নিজের লক্ষ্য অর্জনে তিনি আজীবন সততা ও পরিশ্রমের সঙ্গে পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন। ভবিষ্যতে দেশ ও দশের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে বাবার স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে চান এই সংবর্ধিত শিক্ষার্থী। তার এই দৃঢ় প্রতিজ্ঞা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়ায় এবং তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা জোগায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *