বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহৎ উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে নতুন করে আরও ১১টি বিমান ক্রয়ের আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আরও সমৃদ্ধ করার এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মূলত বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং বোয়িং ৭৩৭-৮ মডেলের এই আধুনিক উড়োজাহাজগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে। উভয় দেশের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এই সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা দেশের এভিয়েশন খাতের ইতিহাসে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের এই বিমান ক্রয়ের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তুরস্ক ও বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িংয়ের এই নতুন বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরের দিনটিকে মার্কিন বিমান নির্মাণ শিল্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন বলে অভিহিত করেছেন তিনি। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের বিশেষ সহযোগিতায় এই বিশাল বাণিজ্যিক চুক্তি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প।

প্রকাশিত ওই পোস্টে ট্রাম্প এই বিমান কেনাবেচাকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান খাতের জন্য একটি বিরাট অর্জন হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, তুরস্ক এবং বাংলাদেশ মিলে মোট ১১১টি বোয়িং বিমান ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছে এবং এর সঙ্গে আরও ৫০টি বিমান কেনার বাড়তি বিকল্প সুযোগ রাখা হয়েছে। হাজার হাজার কোটি ডলারের এই বিশাল রপ্তানি বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে হাজার হাজার নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মার্কিন উৎপাদন খাত ও স্থানীয় শ্রমিকদের অবদানের কথা তুলে ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পণ্য উৎপাদন এবং তা বিশ্ববাজারে রপ্তানি করার নীতিই আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তোলে। বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের এই নবায়নকৃত বাণিজ্যিক চুক্তি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আরও দৃঢ় করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *