বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার সূচনা হবে পরিবার ও কমিউনিটি থেকে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়ন এবং সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি প্রান্তে সহজে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে পরিবার ও কমিউনিটি পর্যায় থেকে এই সেবা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে তৃণমূলের সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ পাবে।

জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই রূপরেখা তুলে ধরা হয়। সেখানে সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে জানানো হয় যে, দেশের প্রতিটি নাগরিকের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। গ্রামীণ জনপদের মানুষ যাতে চিকিৎসার অভাবে কষ্ট না পায়, সেজন্য কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভিত্তি যদি তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী হয়, তবে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় ও প্রতিকার সম্ভব হলে অনেক বড় জটিল রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করা সহজ হবে। বর্তমান এই কৌশলগত পদক্ষেপ দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য সূচকে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আগামী দিনগুলোতে স্বাস্থ্য খাতের পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং চিকিৎসকদের দক্ষতা বাড়াতে নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের কাজ চলছে। সরকারের এই পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *