মুক্তির ১০ বছর পর ওটিটিতে রাজ-তুষির প্রথম সিনেমা

বিনোদন ডেস্ক: প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দীর্ঘ এক দশক পর এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নির্মাতা রেদওয়ান রনির প্রশংসিত চলচ্চিত্র ‘আইসক্রিম’। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই সিনেমাটির গল্প এবং এর নির্মাণশৈলী দর্শক মহলে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল। আগামী ২০ অক্টোবর রাত ১২টায় এক্সক্লুসিভলি চরকিতে স্ট্রিমিং শুরু হবে এই তারকাবহুল ছবিটির। এর মাধ্যমে দর্শকরা আরও একবার বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়া এই জনপ্রিয় কাজটি ডিজিটাল মাধ্যমে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।

উল্লেখ্য যে, এই সিনেমার মাধ্যমেই বড় পর্দায় অভিষেক ঘটেছিল বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শরিফুল রাজ, নাজিফা তুষি এবং কুমার উদয়ের মতো নতুন মুখগুলোর। সম্পূর্ণ নতুন একদল শিল্পীকে নিয়ে নির্মিত এই সম্পর্কের জটিল ও সুন্দর গল্পটি সেসময় তরুণ প্রজন্মকে ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছিল। এছাড়া ছবিটির প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি এর গানগুলোও সেসময় দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল, যা আজও শ্রোতাদের মুখে মুখে ফেরে।

দীর্ঘ সময় পর নিজের পরিচালিত এই সিনেমাটি ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে নির্মাতা রেদওয়ান রনি জানিয়েছেন তার উচ্ছ্বাস ও অনুভূতির কথা। তিনি বলেন, এক দশক আগে একঝাঁক নতুন মুখ ও তাজা স্বপ্ন নিয়ে তিনি ছবিটি নির্মাণ করেছিলেন এবং সময়ের পালাবদলেও ছবিটির মূল ভাব আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। যারা বিভিন্ন কারণে অতীতে প্রেক্ষাগৃহে এটি উপভোগ করতে পারেননি, তারা এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে দেশের বাইরে থেকেও চরকির মাধ্যমে এটি দেখতে পারবেন।

ছবিটির প্রধান চরিত্রের অভিনেতা শরিফুল রাজ এবং অভিনেত্রী নাজিফা তুষিও এই বিশেষ মুহূর্তটি নিয়ে নিজেদের স্মৃতির রোমন্থন করেছেন। নাজিফা তুষি জানান যে, তখন শোবিজ বা বড় ক্যানভাস সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকলেও শুধু অভিনয়ের প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি কাজটি করেছিলেন এবং আজ ১০ বছর পেরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তাকে সত্যিই অবাক করছে। অন্যদিকে শরিফুল রাজ উল্লেখ করেন যে, এই সিনেমাটিই আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর ভিত্তি গড়ে দিয়েছিল এবং প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর সেই স্মৃতি আজও তার মনে বেশ তাজা রয়েছে।

রেদওয়ান রনির নিজস্ব চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রে নতুন মুখ ছাড়াও অভিনয় করেছেন এ টি এম শামসুজ্জামান, দিতির মতো প্রবীণ ও বরেণ্য শিল্পীরা। এছাড়া ওমর সানি, সায়েম সাদাত ও নাদিয়া খানমের অভিনয় সমৃদ্ধ করেছে ছবিটিকে। অর্ণব, আরমিন মুসা, শারমিন সুলতানা সুমি ও মিনার রহমানের সুর ও কণ্ঠে সাজানো গানগুলো এই চলচ্চিত্রটির আবেদনকে চিরসবুজ করে রেখেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *